পিএইচডি ডিগ্রী এখনো আমাদের দেশে খানিক দুর্লভ বলে আশপাশের লোক সাধারণতঃ পিএইচডি ডিগ্রীধারীদের শ্রদ্ধার চোখে থাকে। উপরন্তু সেই পিএইচডি যদি হয়ে থাকে গণিত শাস্ত্রে তাহলে তো সোনায় সোহাগা। ঢিপ করে হয়তো একখান পেন্নামই ঠুকে দেবে লোকে।
Spoiler Alert: যদি আপনিও পিএইচডি ডিগ্রীধারীদের প্রতি অতি শ্রদ্ধাশীল হন এবং নিজের ধারণা বজায় রাখতে চান তাহলে এই লেখা আর ভুলেও পড়বেন না নয়তো পরে আফসোস করতে হতে পারে।
মিশনের আমার দুই ব্যাচমেট ভারত থেকে গণিত বিভাগে গ্র্যাজুয়েশন করে বিদেশে পিএইচডি করতে যায় -- একজন ইউরোপে অপরজন আমেরিকায়। দুজনেই নিজেকে হেপ ভাবে, একজন ভাবে আমিই সেরা তো অপরজন ভাবে "হাম কিসি সে কম নেহি"। তাই ঈষৎ (কিংবা হয়তো অনেকটাই) রেষারেষি ছিলো (আছে) এদের মধ্যে। গত সপ্তাহে জানতে পারি যে ছেলেটি ইউরোপে গিয়েছিলো সে একঘেয়েমি থেকে বাঁচার জন্যে ফেসবুকে একটি মেয়ের নামে জাল প্রোফাইল খোলে এবং আমেরিকা নিবাসী বন্ধুটির সাথে রসালাপ শুরু করে। ইঞ্জিনিয়ারিং পাঠরত ছাত্রদের মেয়েদের প্রতি দুর্বলতা প্রসিদ্ধ তবে গণিতের ছেলেরা বোধ করি আরো এক কাঠি উপরে। আমেরিকাবাসী বন্ধুটি কদিনের আলাপেই প্রেমে হাবুডুবু খায়, তাই অবশ্যম্ভাবী প্রপোসাল এসে পৌঁছায় মেয়েটির কাছে অর্থাৎ আমার অপর বন্ধুটির কাছে। আর যায় কোথা -- ইউরোপের ছাত্রটি নিজের স্বরূপ প্রকাশ করে রাজ্যের হ্যাঠা উপহার দেয় ব্যাচমেটকে। সেই থেকে তাদের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। আপাততঃ তাদের যোগসূত্র হচ্ছে কমন ফ্রেন্ডরা।
এঘটনাটা বলার পেছনে অবশ্য আরেকটা কারণও আছে। Sarahah-র শিহরণ নিয়ে বক্তব্য আমার এখনো শেষ হয়নি। আমি মাত্র একদিন account-টা রেখেছিলাম আর সেই সময়ে খান কুড়ি কমেন্ট পাই। তার ভেতর কয়েকখান প্রেম নিবেদনও ছিলো যথা: "কুণাল, তুমি শুধু আমার"। এর চেয়েও ঢের বেশি সুড়সুড়ি দেওয়া কমেন্ট ছিলো যা প্রকাশ্যে বলা যায় না। এগুলো যে আমার ইউরোপনিবাসী বন্ধুটির মতো পুরুষ বন্ধুরাই পাঠিয়েছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তাদের জন্যে উপদেশ -- আপনারা উত্তেজনার পরিমাণটা খানিক কম করতে পারলে হয়তো বেশি মুরগি ধরতে পারবেন।
পরস্পর পিঠ চাপড়াচাপড়ী করার মানসিকতা আমাদের ভেতর যতদিন আছে ততদিন Sarahah এবং অনুরূপ হুজুগ চলতেই থাকবে। তবে আমার মতে ফেসবুকে Sarahah-র আয়ু আর দিন সাতেক, তার বেশি নয় -- দেখা যাক আমার ভবিষ্যদ্বাণী মেলে কিনা।
Spoiler Alert: যদি আপনিও পিএইচডি ডিগ্রীধারীদের প্রতি অতি শ্রদ্ধাশীল হন এবং নিজের ধারণা বজায় রাখতে চান তাহলে এই লেখা আর ভুলেও পড়বেন না নয়তো পরে আফসোস করতে হতে পারে।
মিশনের আমার দুই ব্যাচমেট ভারত থেকে গণিত বিভাগে গ্র্যাজুয়েশন করে বিদেশে পিএইচডি করতে যায় -- একজন ইউরোপে অপরজন আমেরিকায়। দুজনেই নিজেকে হেপ ভাবে, একজন ভাবে আমিই সেরা তো অপরজন ভাবে "হাম কিসি সে কম নেহি"। তাই ঈষৎ (কিংবা হয়তো অনেকটাই) রেষারেষি ছিলো (আছে) এদের মধ্যে। গত সপ্তাহে জানতে পারি যে ছেলেটি ইউরোপে গিয়েছিলো সে একঘেয়েমি থেকে বাঁচার জন্যে ফেসবুকে একটি মেয়ের নামে জাল প্রোফাইল খোলে এবং আমেরিকা নিবাসী বন্ধুটির সাথে রসালাপ শুরু করে। ইঞ্জিনিয়ারিং পাঠরত ছাত্রদের মেয়েদের প্রতি দুর্বলতা প্রসিদ্ধ তবে গণিতের ছেলেরা বোধ করি আরো এক কাঠি উপরে। আমেরিকাবাসী বন্ধুটি কদিনের আলাপেই প্রেমে হাবুডুবু খায়, তাই অবশ্যম্ভাবী প্রপোসাল এসে পৌঁছায় মেয়েটির কাছে অর্থাৎ আমার অপর বন্ধুটির কাছে। আর যায় কোথা -- ইউরোপের ছাত্রটি নিজের স্বরূপ প্রকাশ করে রাজ্যের হ্যাঠা উপহার দেয় ব্যাচমেটকে। সেই থেকে তাদের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। আপাততঃ তাদের যোগসূত্র হচ্ছে কমন ফ্রেন্ডরা।
এঘটনাটা বলার পেছনে অবশ্য আরেকটা কারণও আছে। Sarahah-র শিহরণ নিয়ে বক্তব্য আমার এখনো শেষ হয়নি। আমি মাত্র একদিন account-টা রেখেছিলাম আর সেই সময়ে খান কুড়ি কমেন্ট পাই। তার ভেতর কয়েকখান প্রেম নিবেদনও ছিলো যথা: "কুণাল, তুমি শুধু আমার"। এর চেয়েও ঢের বেশি সুড়সুড়ি দেওয়া কমেন্ট ছিলো যা প্রকাশ্যে বলা যায় না। এগুলো যে আমার ইউরোপনিবাসী বন্ধুটির মতো পুরুষ বন্ধুরাই পাঠিয়েছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তাদের জন্যে উপদেশ -- আপনারা উত্তেজনার পরিমাণটা খানিক কম করতে পারলে হয়তো বেশি মুরগি ধরতে পারবেন।
পরস্পর পিঠ চাপড়াচাপড়ী করার মানসিকতা আমাদের ভেতর যতদিন আছে ততদিন Sarahah এবং অনুরূপ হুজুগ চলতেই থাকবে। তবে আমার মতে ফেসবুকে Sarahah-র আয়ু আর দিন সাতেক, তার বেশি নয় -- দেখা যাক আমার ভবিষ্যদ্বাণী মেলে কিনা।
No comments:
Post a Comment