ব্রাহ্মণ পরিবার যখন তখন বংশে কেও না কেও তো নিশ্চয়ই অপরের বাড়ি গিয়ে পৌরহিত্য করে এসেছেন, তবে আমার দেখা আমাদের বংশে আমিই প্রথম। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে আমার আইআইটির রুমমেট সৌম্যর বাড়িতে সরস্বতী পুজো করে এলাম। ফেসবুকের দৌলতে সে খবর আপনারা অনেকেই আগে পেয়ে গেছেন। ভেতরের খবর হলো দক্ষিণা পেয়েছি মাত্র এক টাকা, কার্যত বুঝতেই পারছেন আমার একমাত্র সঞ্চয় হলো -- অভিজ্ঞতা। এই অভিজ্ঞতা সবিস্তারে না হয় পরে কখনো সুযোগ পেলে বলবো, আপাতত পুজোর প্রধান সামগ্রী -- সরস্বতী ঠাকুরের প্রতিমা -- জোগাড় করা নিয়ে কিছু মজার ঘটনা বলি।
এখানে সরস্বতী পূজার প্রচলন নেই বলে সৌম্য তো মায়ের প্রতিমার সন্ধানে ঘুরে ঘুরে হয়রান। অবশেষে এক দোকানে সরস্বতীর একটি ছোট (দক্ষিণ ভারতীয় মুখের আদলসহ) প্রতিমা খুঁজে পেয়ে তাই চটপট কিনে ফেলে; সে দেখতে যেমনই হোক, পাওয়া তো গেছে -- এই রক্ষে! তখন যে সরস্বতী পুজোর সময় সেটা তো এখানকার দোকানদার জানে না, তাই সেও চটপট নিজের ব্যবসাহিক বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে গণেশের একটি বিগ্রহ বের করে সৌম্যকে (ইংরেজিতে) বলে: "আপনি এই ভগবানকেও সঙ্গে নিয়ে যান -- ইনিও পরীক্ষায় পাস করতে সাহায্য করেন।"
এই ঘটনাটির লেজুড় আরেকটু আছে। সরস্বতী পুজোর আগের দিন সৌম্য অফিস থেকে বেরিয়ে দেখে অফিসের উল্টো দিকে রাস্তায় একজন মৃৎশিল্পী প্রচুর দেবদেবীর বিগ্রহের পসরা নিয়ে বসেছে। তার কাছে মনোমতন সরস্বতীর প্রতিমা পাওয়া যায় এবং সেই প্রতিমাই পুজোতে ব্যবহৃত হয়।
এখানে সরস্বতী পূজার প্রচলন নেই বলে সৌম্য তো মায়ের প্রতিমার সন্ধানে ঘুরে ঘুরে হয়রান। অবশেষে এক দোকানে সরস্বতীর একটি ছোট (দক্ষিণ ভারতীয় মুখের আদলসহ) প্রতিমা খুঁজে পেয়ে তাই চটপট কিনে ফেলে; সে দেখতে যেমনই হোক, পাওয়া তো গেছে -- এই রক্ষে! তখন যে সরস্বতী পুজোর সময় সেটা তো এখানকার দোকানদার জানে না, তাই সেও চটপট নিজের ব্যবসাহিক বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে গণেশের একটি বিগ্রহ বের করে সৌম্যকে (ইংরেজিতে) বলে: "আপনি এই ভগবানকেও সঙ্গে নিয়ে যান -- ইনিও পরীক্ষায় পাস করতে সাহায্য করেন।"
এই ঘটনাটির লেজুড় আরেকটু আছে। সরস্বতী পুজোর আগের দিন সৌম্য অফিস থেকে বেরিয়ে দেখে অফিসের উল্টো দিকে রাস্তায় একজন মৃৎশিল্পী প্রচুর দেবদেবীর বিগ্রহের পসরা নিয়ে বসেছে। তার কাছে মনোমতন সরস্বতীর প্রতিমা পাওয়া যায় এবং সেই প্রতিমাই পুজোতে ব্যবহৃত হয়।