আমাকে কে বললো যে ট্রেনে নাকি WiFi-এর ব্যবস্থা করে দিয়েছে। সারা রাতের ট্রেন জার্নি তাই আমি কার্পণ্য না করে AC 2 tier-এর টিকিট কাটলাম। এই প্রথম 2 tier, আগে ভাবতাম না জানি কি আছে ওই কূপগুলোতে -- পরীরা এসে খাবার দেয় -- এই সব। অদেখা অজানা জিনিস কল্পনা করতে আমার জুড়ি নেই। তা উঠলাম প্রথমবার 2 tier-এ। WiFi তো দূরের কথা, চার্জিং পয়েন্টই কাজ করে না। তদুপরি pantry car-ও নাকি নেই এই ট্রেনে। ইন্টারনেট না হয় নাই করলাম -- কিছু যায় আসে না, কিন্তু না খেয়ে থাকতে হবে নাকি সারা রাত? টিকিট পরীক্ষককে খোঁজা দরকার, টিকিটটা তো উনি দেখে গেলেন হেলতে-দুলতে -- আমাদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যটা কে দেখবে? পয়সা দিয়ে টিকিট কেটে উঠেছি, এই সব ভাবতে ভাবতে গেলাম। দেখি বাবু পান চিবুচ্ছেন, আমার প্রশ্ন শুনে হাসতে হাসতে বললেন যে এই ট্রেনে নাকি সব থেকে বেশিবার Maoist attack হয়েছে; আর ওরা এলে প্রথমে pantry car-এর সব খাবার তুলে নিয়ে যায় -- তাই ওই পাট এখন তুলে দেওয়া হয়েছে। ... বুঝলাম রাতে ঘুমটাও হবে না।
কি ট্রেন সেটা জানতে চান? LTT শালিমার। (জনস্বার্থে প্রচারিত)
(এই ঘটনাটি মৈনাকের ভাষাতেই লিখে রাখলাম।)
কি ট্রেন সেটা জানতে চান? LTT শালিমার। (জনস্বার্থে প্রচারিত)
(এই ঘটনাটি মৈনাকের ভাষাতেই লিখে রাখলাম।)
No comments:
Post a Comment