কত শত অসংলগ্ন চিন্তা ভাবনা মনের ভেতর ঘুরপাক খায়। কোনো ফিকিরে তাদের মধ্যে কয়েকটাকে ধরে এক সূত্রে গেঁথে নিতে পারলেই আমি তা ক্রমান্বয়ে লিখে ফেলি। এবারের চিন্তা সূত্রটি যুগিয়েছে মিশনের এক পুরনো বন্ধু যে আমার ফেসবুকের একটি লেখা দেখে মন্তব্য করেছে যে গরিব দুঃখী না হলে তবেই গরিব দুঃখী নিয়ে টিপ্পনি করা সোজা।
একদম খাঁটি কথা। অন্ন-চিন্তা থাকতে অন্য চিন্তা করা সত্যি সহজ ব্যাপার নয়। কাউকে উপহাস করার জন্যে নয়, শুধুমাত্র নিজের মত প্রকাশ করার জন্যই গরিব দুঃখীদের পূর্বের একটি লেখায় টেনে আনা। আমার কোনো লেখা পড়ে কেউ ব্যথিত হয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী -- জানবেন সেটা আমার অনিচ্ছাকৃত অপরাধ। তা বলে ভবিষ্যতে আমার লেখা পড়ে খারাপ লাগলে আমাকে জানাবেন না -- এমনটা কিন্তু ভাববেন না; আমাকে আপনাদের সোজাসাপটা মতামত অবশ্যই জানাবেন তাতে আমার লাভ বই ক্ষতি নেই।
এই প্রসঙ্গে মিশনে আমার রুমমেট নিশানের কাছে শোনা একটা কথা মনে পড়ে গেল। এক সময় বাংলা সাহিত্যে আধিপত্য ছিল তিন বন্দোপাধ্যায়ের -- বিভূতিভূষণ, তারাশংকর আর মাণিক। (খেয়াল রাখবেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এঁনাদের উত্তরসূরী।) এঁদের মধ্যে মাণিক বন্দোপাধ্যায়ের লেখার বিষয় ছিল অন্যান্য সকল সাহিতিক্যের থেকে স্বতন্ত্র। অন্যান্য লেখকের গল্প পড়লে যেরকম একটা মনের মধ্যে আনন্দের রেশ থেকে যায় সেরকম অনুভূতি কিন্তু মাণিক বন্দোপাধ্যায়ের গল্প পড়লে হয় না। বরং মনের মধ্যে ক্ষোভ বা দুঃখ এসে ভিড় করে। উচ্চমাধ্যমিকে এই লেখকের "পাশফেল" গল্পটি পড়ে থাকলে সেটিকে স্মরণ করলেই বুঝতে পারবেন। এক সাংবাদিক একবার মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওনার গল্পের জন্যে নেতিবাচক বিষয় চয়ন করা নিয়ে প্রশ্ন করলে পরে তিনি উত্তর দেন যে তিনি পাঠকদের কাছে কৃতজ্ঞ তাঁর লেখা নেতিবাচক হওয়া সত্ত্বেও পাঠকরা তাঁর লেখা ভালবাসেন বলে। তবে তিনি এটাও জানান যে পাঠকরা তাঁর লেখা ভালবাসুক কি না বাসুক, তাঁর হাত থেকে ওই লেখাই বেরোবে।
আমি চেষ্টা করেও সব সময় সব দিক বজায় রেখে লিখতে পারি না। তাই এই মুহূর্তেই একটা স্বীকারোক্তি করে রাখি -- আমি পাঠকদেরকে আনন্দ দেওয়ার চেয়েও নিজে আনন্দ পাই বলেই লিখি।
একদম খাঁটি কথা। অন্ন-চিন্তা থাকতে অন্য চিন্তা করা সত্যি সহজ ব্যাপার নয়। কাউকে উপহাস করার জন্যে নয়, শুধুমাত্র নিজের মত প্রকাশ করার জন্যই গরিব দুঃখীদের পূর্বের একটি লেখায় টেনে আনা। আমার কোনো লেখা পড়ে কেউ ব্যথিত হয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী -- জানবেন সেটা আমার অনিচ্ছাকৃত অপরাধ। তা বলে ভবিষ্যতে আমার লেখা পড়ে খারাপ লাগলে আমাকে জানাবেন না -- এমনটা কিন্তু ভাববেন না; আমাকে আপনাদের সোজাসাপটা মতামত অবশ্যই জানাবেন তাতে আমার লাভ বই ক্ষতি নেই।
এই প্রসঙ্গে মিশনে আমার রুমমেট নিশানের কাছে শোনা একটা কথা মনে পড়ে গেল। এক সময় বাংলা সাহিত্যে আধিপত্য ছিল তিন বন্দোপাধ্যায়ের -- বিভূতিভূষণ, তারাশংকর আর মাণিক। (খেয়াল রাখবেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এঁনাদের উত্তরসূরী।) এঁদের মধ্যে মাণিক বন্দোপাধ্যায়ের লেখার বিষয় ছিল অন্যান্য সকল সাহিতিক্যের থেকে স্বতন্ত্র। অন্যান্য লেখকের গল্প পড়লে যেরকম একটা মনের মধ্যে আনন্দের রেশ থেকে যায় সেরকম অনুভূতি কিন্তু মাণিক বন্দোপাধ্যায়ের গল্প পড়লে হয় না। বরং মনের মধ্যে ক্ষোভ বা দুঃখ এসে ভিড় করে। উচ্চমাধ্যমিকে এই লেখকের "পাশফেল" গল্পটি পড়ে থাকলে সেটিকে স্মরণ করলেই বুঝতে পারবেন। এক সাংবাদিক একবার মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওনার গল্পের জন্যে নেতিবাচক বিষয় চয়ন করা নিয়ে প্রশ্ন করলে পরে তিনি উত্তর দেন যে তিনি পাঠকদের কাছে কৃতজ্ঞ তাঁর লেখা নেতিবাচক হওয়া সত্ত্বেও পাঠকরা তাঁর লেখা ভালবাসেন বলে। তবে তিনি এটাও জানান যে পাঠকরা তাঁর লেখা ভালবাসুক কি না বাসুক, তাঁর হাত থেকে ওই লেখাই বেরোবে।
আমি চেষ্টা করেও সব সময় সব দিক বজায় রেখে লিখতে পারি না। তাই এই মুহূর্তেই একটা স্বীকারোক্তি করে রাখি -- আমি পাঠকদেরকে আনন্দ দেওয়ার চেয়েও নিজে আনন্দ পাই বলেই লিখি।
No comments:
Post a Comment