লেখক: পর্ব ১০
সম্প্রতি আমেরিকা থেকে ঘুরে এলাম। এখবরটা যারা ফেসবুকে আমার আপলোড করা ছবিগুলো দেখেছেন তাদের কাছে নতুন কিছু নয়। কিন্তু আমার এই লেখাটা সফরকালীন কোনো বিষয় নিয়ে নয় বরং সফরে যাওয়ার প্রস্তুতি সংক্রান্ত বলা যেতে পারে।
দশ বছর আগে প্রথম পাসপোর্ট করিয়েছিলাম তাই এবছর সেটার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কাজেই পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেছিলাম ব্যাঙ্গালোরের এক পাসপোর্ট অফিসে। এই বিষয়ে সর্বশেষ প্রশাসনিক কাজটি ছিল পুলিশ ভেরিফিকেশন। আমার ডাক পড়ে নিকটবর্তী থানায় গিয়ে নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য। থানার কাজ মিটিয়ে হঠাৎ মনে হয় থানায় তো আর বারবার আসা হবে না তাই একবার এখানকার ফাটকটা দেখে যাই -- একটা নতুন অভিজ্ঞতা তো হবে। (এ ধরণের উটকো খেয়াল আমার মাথায় মাঝে মাঝেই আসে -- সে সব নিয়ে ভাবতে যাবেন না, আপাতত লেখাটা পড়তে থাকুন।) ফাটকের কাছে গিয়ে দেখি গারদের ভেতরে আমার বাড়ির মালিকের মতো দেখতে কে একজন বসে আছে। আমি চট করে ফাটকের ঝটিকা সফর শেষ করে বাড়ি ফিরে আসি। কাকে দেখতে কাকে দেখেছি এই ভেবে আমি আর মাথা ঘামাই না।
কয়েকদিন পর আমার বাড়ির মালিকের সঙ্গে বিল্ডিং-এর বাইরে দেখা। আমার পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্ত কাজ মিটে গেছে কিনা তিনি জিজ্ঞাসা করলেন। আসলে ব্যাঙ্গালোরে আমার বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ বলতে একমাত্র সম্বল ছিল আমার বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্রটা, সেটা মালিকের কাছ থেকে চেয়ে এনেছিলাম বলে উনি খোঁজখবর নিচ্ছিলেন। আমি ওঁনাকে উত্তরে জানাই যে বাকি সমস্ত কাজ তো আগেই হয়ে গেছিল, অন্তিম কাজটা ছিল পুলিশ ভেরিফিকেশন সেটাও সেরে ফেলেছি। আমার উত্তর শুনে বাড়িওয়ালা হেসে বললেন যে হ্যাঁ, উনি আমাকে পুলিশ স্টেশনে দেখেছিলেন।
এই ঘটনাটা আমি পূর্বে যাকেই বলেছি সে জিজ্ঞাসা করেছে যে আমি বাড়িওয়ালাকে জিজ্ঞেস করেছি কিনা যে উনি কেন গারদে ছিলেন। আমার নেতিবাচক উত্তর শুনে শ্রোতারা সবাই হতাশ হয়েছেন, আসলে আমার এই প্রশ্নটা না করার পেছনে একটা ভয় ছিল যে যদি উনি ফাটকে যাওয়ার কারণ হিসেবে বলতেন "ভাড়াটের সঙ্গে বচসা" তাহলে ব্যাপারটা আমার পক্ষে ভালো হতো কি!
সম্প্রতি আমেরিকা থেকে ঘুরে এলাম। এখবরটা যারা ফেসবুকে আমার আপলোড করা ছবিগুলো দেখেছেন তাদের কাছে নতুন কিছু নয়। কিন্তু আমার এই লেখাটা সফরকালীন কোনো বিষয় নিয়ে নয় বরং সফরে যাওয়ার প্রস্তুতি সংক্রান্ত বলা যেতে পারে।
দশ বছর আগে প্রথম পাসপোর্ট করিয়েছিলাম তাই এবছর সেটার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কাজেই পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেছিলাম ব্যাঙ্গালোরের এক পাসপোর্ট অফিসে। এই বিষয়ে সর্বশেষ প্রশাসনিক কাজটি ছিল পুলিশ ভেরিফিকেশন। আমার ডাক পড়ে নিকটবর্তী থানায় গিয়ে নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য। থানার কাজ মিটিয়ে হঠাৎ মনে হয় থানায় তো আর বারবার আসা হবে না তাই একবার এখানকার ফাটকটা দেখে যাই -- একটা নতুন অভিজ্ঞতা তো হবে। (এ ধরণের উটকো খেয়াল আমার মাথায় মাঝে মাঝেই আসে -- সে সব নিয়ে ভাবতে যাবেন না, আপাতত লেখাটা পড়তে থাকুন।) ফাটকের কাছে গিয়ে দেখি গারদের ভেতরে আমার বাড়ির মালিকের মতো দেখতে কে একজন বসে আছে। আমি চট করে ফাটকের ঝটিকা সফর শেষ করে বাড়ি ফিরে আসি। কাকে দেখতে কাকে দেখেছি এই ভেবে আমি আর মাথা ঘামাই না।
কয়েকদিন পর আমার বাড়ির মালিকের সঙ্গে বিল্ডিং-এর বাইরে দেখা। আমার পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্ত কাজ মিটে গেছে কিনা তিনি জিজ্ঞাসা করলেন। আসলে ব্যাঙ্গালোরে আমার বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ বলতে একমাত্র সম্বল ছিল আমার বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্রটা, সেটা মালিকের কাছ থেকে চেয়ে এনেছিলাম বলে উনি খোঁজখবর নিচ্ছিলেন। আমি ওঁনাকে উত্তরে জানাই যে বাকি সমস্ত কাজ তো আগেই হয়ে গেছিল, অন্তিম কাজটা ছিল পুলিশ ভেরিফিকেশন সেটাও সেরে ফেলেছি। আমার উত্তর শুনে বাড়িওয়ালা হেসে বললেন যে হ্যাঁ, উনি আমাকে পুলিশ স্টেশনে দেখেছিলেন।
এই ঘটনাটা আমি পূর্বে যাকেই বলেছি সে জিজ্ঞাসা করেছে যে আমি বাড়িওয়ালাকে জিজ্ঞেস করেছি কিনা যে উনি কেন গারদে ছিলেন। আমার নেতিবাচক উত্তর শুনে শ্রোতারা সবাই হতাশ হয়েছেন, আসলে আমার এই প্রশ্নটা না করার পেছনে একটা ভয় ছিল যে যদি উনি ফাটকে যাওয়ার কারণ হিসেবে বলতেন "ভাড়াটের সঙ্গে বচসা" তাহলে ব্যাপারটা আমার পক্ষে ভালো হতো কি!
No comments:
Post a Comment