কিছুদিন আগে এক বন্ধুকে ফেসবুকে একটা জোক শেয়ার করতে দেখেছিলাম:
এক ভদ্রলোক রেস্টুরেন্টে খেতে গেছেন। এদিকে কিছুতেই "মেনু কার্ড" -- এই কথাটা ওনার মাথায় আসছে না। তাই কিছুক্ষণ পর ওয়েটারের কাছে রেস্টুরেন্টের "সিলেবাস"-টি চেয়ে বসলেন সেই খদ্দের ভদ্রলোকটি।
এই রকম ঘটনা -- মানে যখন কিছু কিছু শব্দ পেটে আসছে কিন্তু মুখে আসছে না -- এই ধরনের অভিজ্ঞতা বোধ করি আমাদের প্রত্যেকের সাথেই কখনো না কখনো ঘটেছে। তবে সব সময় আমাদের ব্যবহৃত প্রতিশব্দগুলি যে ঠিক লাগানসই হয়না উপরন্তু কখনো সখনো বেশ অস্বস্তিদায়কও হয়ে ওঠে, সেটাও নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন। উদাহরণস্বরূপ অনেকদিন আগে লেখা আমার একটি ঘটনার পুনরাবৃত্তি করছি এখানে।
"God has blessed us with a beautiful baby. To celebrate the occassion, sweets are kept at my desk. Please join."
এই ইমেলটি পড়ে অফিসের এক কলিগ সদ্য হওয়া বাবাকে অভিবাদন জানাতে গেছে। এদিকে "Congratulations" শব্দটা সেই মুহুর্তে কিছুতেই মনে পড়ছে না। তাই উনি করমর্দন করে বললেন "Well done"।
এই প্রসঙ্গে আমার সিনিয়র পার্থদার একটা ঘটনা বলি। পার্থদার সাথে আপনাদের পরিচয় আগেও করিয়েছি -- সেই যার হিন্দী ভাষার উপর দখল মারাত্মক; "সে ঘুমোচ্ছে"-এর হিন্দী অনুবাদ করেছিলো "বো ঘুম রাহা হ্যায়", আবার "ছাগল"-এর হিন্দী "বকরী" এটা ভুলে যাওয়ায় এক অবাঙালি ছেলেকে বলেছিলো "ছাগল নেহি সমঝতা -- যো পাতা হ্যায় বো খাতা হ্যায়।" আরো কিছু পার্থদার এধরনের সংলাপ আমার পুরনো লেখায় পাবেন। তবে সে সময় যেটা বলা হয়নি সেটা হলো পার্থদা আবার মাঝে মাঝেই অনেক শব্দ ভুলে যায়, তখন অন্যান্য লোকেরা যেমনি "ইয়ে" বা "ইসে" বলে তার জায়গায় পার্থদা "এ" বলে থাকে। যেমন "This is the conclusion of my presentation" বলতে গিয়ে স্যারেদের সামনে বলে ফেলেছিলো "This is the এ of my এ"। এজাতীয় ভুলে পার্থদাকে পারতপক্ষে কখনো কোনো অসুবিধেয় পড়তে হয়নি, শুধু একবার বিপদে পড়ার উপক্রম হয়েছিলো। সেবার একজন অবাঙালি মেয়ের সাথে কথোপকথনের সময় পার্থদা মুখ ফসকে বলে ফেলেছিলো: "তুম্হারে পাস এ যো হ্যায় না, এ মুঝে চাহিয়ে।" সাংঘাতিক কথা! এর জল অনেক দূর গড়াতে পারতো -- নেহাৎ মেয়েটা পার্থদার মুদ্রাদোষ সম্বন্ধে অবহিত ছিলো এবং "এ" বলতে পার্থদা ঠিক কি বলতে চেয়েছিলো সেটা বুঝতে পেরেছিলো তাই বাঁচোয়া। না, পাঠকদের কাছে "এ"-র সঠিক মানেটা সম্বন্ধে আর রহস্য সৃষ্টি করবো না, পাঠকদের কল্পনা শক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়াটা এই ক্ষেত্রে উচিৎ হবে না। পার্থদার মেয়েটির কাছে চাহিদা সামান্যই ছিলো -- ক্লাস নোটসের খাতাটা।
এক ভদ্রলোক রেস্টুরেন্টে খেতে গেছেন। এদিকে কিছুতেই "মেনু কার্ড" -- এই কথাটা ওনার মাথায় আসছে না। তাই কিছুক্ষণ পর ওয়েটারের কাছে রেস্টুরেন্টের "সিলেবাস"-টি চেয়ে বসলেন সেই খদ্দের ভদ্রলোকটি।
এই রকম ঘটনা -- মানে যখন কিছু কিছু শব্দ পেটে আসছে কিন্তু মুখে আসছে না -- এই ধরনের অভিজ্ঞতা বোধ করি আমাদের প্রত্যেকের সাথেই কখনো না কখনো ঘটেছে। তবে সব সময় আমাদের ব্যবহৃত প্রতিশব্দগুলি যে ঠিক লাগানসই হয়না উপরন্তু কখনো সখনো বেশ অস্বস্তিদায়কও হয়ে ওঠে, সেটাও নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন। উদাহরণস্বরূপ অনেকদিন আগে লেখা আমার একটি ঘটনার পুনরাবৃত্তি করছি এখানে।
"God has blessed us with a beautiful baby. To celebrate the occassion, sweets are kept at my desk. Please join."
এই ইমেলটি পড়ে অফিসের এক কলিগ সদ্য হওয়া বাবাকে অভিবাদন জানাতে গেছে। এদিকে "Congratulations" শব্দটা সেই মুহুর্তে কিছুতেই মনে পড়ছে না। তাই উনি করমর্দন করে বললেন "Well done"।
এই প্রসঙ্গে আমার সিনিয়র পার্থদার একটা ঘটনা বলি। পার্থদার সাথে আপনাদের পরিচয় আগেও করিয়েছি -- সেই যার হিন্দী ভাষার উপর দখল মারাত্মক; "সে ঘুমোচ্ছে"-এর হিন্দী অনুবাদ করেছিলো "বো ঘুম রাহা হ্যায়", আবার "ছাগল"-এর হিন্দী "বকরী" এটা ভুলে যাওয়ায় এক অবাঙালি ছেলেকে বলেছিলো "ছাগল নেহি সমঝতা -- যো পাতা হ্যায় বো খাতা হ্যায়।" আরো কিছু পার্থদার এধরনের সংলাপ আমার পুরনো লেখায় পাবেন। তবে সে সময় যেটা বলা হয়নি সেটা হলো পার্থদা আবার মাঝে মাঝেই অনেক শব্দ ভুলে যায়, তখন অন্যান্য লোকেরা যেমনি "ইয়ে" বা "ইসে" বলে তার জায়গায় পার্থদা "এ" বলে থাকে। যেমন "This is the conclusion of my presentation" বলতে গিয়ে স্যারেদের সামনে বলে ফেলেছিলো "This is the এ of my এ"। এজাতীয় ভুলে পার্থদাকে পারতপক্ষে কখনো কোনো অসুবিধেয় পড়তে হয়নি, শুধু একবার বিপদে পড়ার উপক্রম হয়েছিলো। সেবার একজন অবাঙালি মেয়ের সাথে কথোপকথনের সময় পার্থদা মুখ ফসকে বলে ফেলেছিলো: "তুম্হারে পাস এ যো হ্যায় না, এ মুঝে চাহিয়ে।" সাংঘাতিক কথা! এর জল অনেক দূর গড়াতে পারতো -- নেহাৎ মেয়েটা পার্থদার মুদ্রাদোষ সম্বন্ধে অবহিত ছিলো এবং "এ" বলতে পার্থদা ঠিক কি বলতে চেয়েছিলো সেটা বুঝতে পেরেছিলো তাই বাঁচোয়া। না, পাঠকদের কাছে "এ"-র সঠিক মানেটা সম্বন্ধে আর রহস্য সৃষ্টি করবো না, পাঠকদের কল্পনা শক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়াটা এই ক্ষেত্রে উচিৎ হবে না। পার্থদার মেয়েটির কাছে চাহিদা সামান্যই ছিলো -- ক্লাস নোটসের খাতাটা।
No comments:
Post a Comment