বাঙালির ছেলে ছোটবেলা থেকে সাহিত্যিক হওয়ার স্বপ্ন দেখে -- এর মধ্যে ব্যতিক্রমী কিছু নেই। আমিও সেই দলেই পড়ি। কিন্তু বিশ্বাস করুন, মাইরি বলছি, আমি আজ পর্যন্ত একটাও কবিতা লিখিনি। যে কোন কারণেই হোক কবিতা আমার ঠিক পোষায় না। কবিতা না আমার পড়তে ভালো লাগে, না শুনতে। খুব দরদ দিয়ে কবিতা আবৃত্তি করলে আমার সেটাকে ন্যাকামি বলেই মনে হয়। অর্থাৎ সংক্ষেপে "কবিতার রসে আমি বঞ্চিত"। গোদের ওপর বিষফোঁড়া হচ্ছে আজকালকার আধুনিক কবিতাগুলো যেখানে কবি অন্তে মিল রাখার প্রয়োজনটুকুও বোধ করেননি। এগুলোকে আমার কবিতা বলতেও কোথাও একটা বাঁধে, কবিতার সংজ্ঞা অনুযায়ী তার অন্তে মিল থাকাটা যেন আবশ্যক বলে আমার ধারণা।
এসত্ত্বেও আমার মতো "নিরস" ব্যক্তির যখন আজকে নিশানের লেখা কবিতাটা পড়ে ভালো লাগলো তখন বুঝলাম যে আপনাদের মতো সমঝদার পাঠকদের কাছে এই কবিতাটা শেয়ার না করলে সেটা অন্যায় হবে; লেখাটা আপনাদের ভালো লাগতে বাধ্য।
হয়তো ধরো তেমন কোনো সম্বন্ধ নেই
কেবল ছিলো রিকশা তাতে ত্রিপল ছিলো
বৃষ্টি ছিলো,
ঝাপসা ছিলো,
চতুর্দিকে।
আর দুখানা মানুষ ছিলো,
ভীষণ ভিজে মানুষ ছিলো,
একবুকে তার একটি মাথা,
আর এক হাতে কাঁধটি ছিলো,
দুঃখ ছিলো, গল্পছিলো,
ভীষণ কিছু খুব সাধারণ
ভীষণ চেনা গল্প ছিলো।
কষ্ট গড়ায় দুঃখজলে,
চোখ সয়ে যায় নুনের ধারায়
তক্ষুণি ঠিক!
তক্ষুণি ঠিক চমক দিলো,
দু মুখ জ্বলে ক্ষণিক সুখে,
দুহাত তালু গালের পাশে
হাতের ফাঁকে পানপাতা মুখ,
দুঃখ গড়ায় বৃষ্টিজলে,
সুখ ছুঁয়ে যায় গোপন হৃদয়,
মানুষ দুটি মোমের মতই
গলছে সুখে গলছে হাওয়ায়...
এসত্ত্বেও আমার মতো "নিরস" ব্যক্তির যখন আজকে নিশানের লেখা কবিতাটা পড়ে ভালো লাগলো তখন বুঝলাম যে আপনাদের মতো সমঝদার পাঠকদের কাছে এই কবিতাটা শেয়ার না করলে সেটা অন্যায় হবে; লেখাটা আপনাদের ভালো লাগতে বাধ্য।
হয়তো ধরো তেমন কোনো সম্বন্ধ নেই
কেবল ছিলো রিকশা তাতে ত্রিপল ছিলো
বৃষ্টি ছিলো,
ঝাপসা ছিলো,
চতুর্দিকে।
আর দুখানা মানুষ ছিলো,
ভীষণ ভিজে মানুষ ছিলো,
একবুকে তার একটি মাথা,
আর এক হাতে কাঁধটি ছিলো,
দুঃখ ছিলো, গল্পছিলো,
ভীষণ কিছু খুব সাধারণ
ভীষণ চেনা গল্প ছিলো।
কষ্ট গড়ায় দুঃখজলে,
চোখ সয়ে যায় নুনের ধারায়
তক্ষুণি ঠিক!
তক্ষুণি ঠিক চমক দিলো,
দু মুখ জ্বলে ক্ষণিক সুখে,
দুহাত তালু গালের পাশে
হাতের ফাঁকে পানপাতা মুখ,
দুঃখ গড়ায় বৃষ্টিজলে,
সুখ ছুঁয়ে যায় গোপন হৃদয়,
মানুষ দুটি মোমের মতই
গলছে সুখে গলছে হাওয়ায়...
No comments:
Post a Comment