"Give a man a mask and he will show his true face."
অস্কার ওয়াইল্ড-এর লেখা উপরের উক্তিটির উপর ভিত্তি করেই হয়তো সম্প্রতি Sarahah নামক অ্যাপটির সূচনা হয়েছে। তবে অ্যাপটির দাবি অনুযায়ী constructive criticism অর্থাৎ গঠনমূলক সমালোচনার বিন্দুমাত্র উদাহরণ দেখতে পেলাম না কারো ফেসবুক দেওয়ালে -- খালি চাড্ডি প্রশংসা (যা অনেকটা স্তাবকতার পর্যায়ে পড়ে), মামুলি প্রেম নিবেদন (মূলতঃ মেয়েদের) আর কিছু সস্তা খিল্লি পড়াই সার হলো। উপরন্তু "সারাহায় শিহরণ" এই quote-টা যে কতোবার দেখতে হলো তার ইয়ত্তা নেই -- সবাই ভাবছে তার মাথাতেই এই নামটা বোধ হয় প্রথম এলো।
গঠনমূলক সমালোচনার উদ্দেশ্য যদি চরিত্র গঠন হয়ে থাকে তাহলে আমার মতে আত্মসমালোচনার চেয়ে বড় আর কিছু হয় না। যদিও Sarahah account খোলার পেছনে কারো চরিত্র গঠন করবো এ ধরণের লক্ষ্য ছিলো না বলেই আমার ধারণা তবুও এই অবকাশে নিজের জীবন থেকে নেওয়া কিছু উপলব্ধি এখানে লিখে রাখছি। এ সব কথা আইআইটিতে একাধিকবার নেসকাফেতে বসে বন্ধুমহলে বলে থাকলেও আগে লিপিবদ্ধ করা হয়নি।
কোনো এক মনীষী বলে গেছেন: "অন্যের দুঃখে কাঁদা সহজ অন্যের আনন্দে হাসার চেয়ে।" এই উক্তিটি ছোটবেলায় মায়ের কাছে শুনেছিলাম। কিন্তু আমি ভাবতাম একথাটা সর্বাধিক মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও আমার জন্যে নয় কারণ বন্ধুদের সাফল্যে আমিও খুশি হতাম। এই ধারণাটা আমার পিএইচডিতে ভর্তি হবার পর আন্দাজ দু'বছর পর্যন্ত ছিলো। আমি পিএইচডির সময় যে ল্যাবে বসতাম সেখানে মোট চব্বিশজন রিসার্চ স্কলার বসতো। প্রায়শই কনফারেন্স বা জার্নালে পেপার হয়েছে বলে কেউ না কেউ বাকিদের কোনো হোটেলে নিয়ে গিয়ে ট্রিট দিতো। আমি পেটুক মানুষ তাই বেশ আনন্দেই দিন কাটছিলো। তবে বারবার কি আর বাকিদের থেকে পার্টি নিতে ভালো লাগে? তাই স্বাভাবিকভাবেই আমার মনে হতো -- সুযোগ আসুক তাহলে আমিও পার্টি দেবো। কিন্তু সুযোগ তো আর সহজে আসে না -- পেপার ছাপাতে কালঘাম ছুটে যায়। সেই সময় সিনেমা, টিভি সিরিজ, কম্পিউটার গেম কোনো কিছুই উপভোগ করতে পারতাম না। বন্ধুদের ট্রিট পর্যন্ত বিস্বাদ লাগতো। মনীষী বাক্যের যথার্থতা হাড়ে হাড়ে টের পেতাম। অবশেষে দু'মাস অন্তরে দুটো জার্নাল পেপার অ্যাকসেপ্ট হওয়ায় ফলে আবার মানসিক শান্তি ফিরে আসে।
মোরাল অফ দ্য স্টোরি: "অন্যের সাফল্যে খুশি হতে গেলে নিজেকেও সফল হতে হয়।"
কোন কথা থেকে কোন কথায় চলে এলাম। Sarahah প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কি একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলো?
পুনশ্চ: Sarahah-র দৌলতে যে কোনো চিন্তাশীল মন্তব্য আমার ভাগ্যে জোটেনি তা বললে অবশ্য ভুল হবে -- আমার লেখার মান ইদানিং পড়ে গেছে এ কথা দু' তিনজন অন্ততঃ জানিয়েছে। কাজের চাপে আজকাল আর আগের মতন লেখার সময় পাই না -- তবে এই লেখাটা কেমন হয়েছে সেটা যদি তারা আমার ইনবক্সে লিখে জানান তো খুব ভালো হয়। Interactive কমেন্ট পেলে আমার হয়তো উন্নতি সাধনে সুবিধে হবে।
অস্কার ওয়াইল্ড-এর লেখা উপরের উক্তিটির উপর ভিত্তি করেই হয়তো সম্প্রতি Sarahah নামক অ্যাপটির সূচনা হয়েছে। তবে অ্যাপটির দাবি অনুযায়ী constructive criticism অর্থাৎ গঠনমূলক সমালোচনার বিন্দুমাত্র উদাহরণ দেখতে পেলাম না কারো ফেসবুক দেওয়ালে -- খালি চাড্ডি প্রশংসা (যা অনেকটা স্তাবকতার পর্যায়ে পড়ে), মামুলি প্রেম নিবেদন (মূলতঃ মেয়েদের) আর কিছু সস্তা খিল্লি পড়াই সার হলো। উপরন্তু "সারাহায় শিহরণ" এই quote-টা যে কতোবার দেখতে হলো তার ইয়ত্তা নেই -- সবাই ভাবছে তার মাথাতেই এই নামটা বোধ হয় প্রথম এলো।
গঠনমূলক সমালোচনার উদ্দেশ্য যদি চরিত্র গঠন হয়ে থাকে তাহলে আমার মতে আত্মসমালোচনার চেয়ে বড় আর কিছু হয় না। যদিও Sarahah account খোলার পেছনে কারো চরিত্র গঠন করবো এ ধরণের লক্ষ্য ছিলো না বলেই আমার ধারণা তবুও এই অবকাশে নিজের জীবন থেকে নেওয়া কিছু উপলব্ধি এখানে লিখে রাখছি। এ সব কথা আইআইটিতে একাধিকবার নেসকাফেতে বসে বন্ধুমহলে বলে থাকলেও আগে লিপিবদ্ধ করা হয়নি।
কোনো এক মনীষী বলে গেছেন: "অন্যের দুঃখে কাঁদা সহজ অন্যের আনন্দে হাসার চেয়ে।" এই উক্তিটি ছোটবেলায় মায়ের কাছে শুনেছিলাম। কিন্তু আমি ভাবতাম একথাটা সর্বাধিক মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও আমার জন্যে নয় কারণ বন্ধুদের সাফল্যে আমিও খুশি হতাম। এই ধারণাটা আমার পিএইচডিতে ভর্তি হবার পর আন্দাজ দু'বছর পর্যন্ত ছিলো। আমি পিএইচডির সময় যে ল্যাবে বসতাম সেখানে মোট চব্বিশজন রিসার্চ স্কলার বসতো। প্রায়শই কনফারেন্স বা জার্নালে পেপার হয়েছে বলে কেউ না কেউ বাকিদের কোনো হোটেলে নিয়ে গিয়ে ট্রিট দিতো। আমি পেটুক মানুষ তাই বেশ আনন্দেই দিন কাটছিলো। তবে বারবার কি আর বাকিদের থেকে পার্টি নিতে ভালো লাগে? তাই স্বাভাবিকভাবেই আমার মনে হতো -- সুযোগ আসুক তাহলে আমিও পার্টি দেবো। কিন্তু সুযোগ তো আর সহজে আসে না -- পেপার ছাপাতে কালঘাম ছুটে যায়। সেই সময় সিনেমা, টিভি সিরিজ, কম্পিউটার গেম কোনো কিছুই উপভোগ করতে পারতাম না। বন্ধুদের ট্রিট পর্যন্ত বিস্বাদ লাগতো। মনীষী বাক্যের যথার্থতা হাড়ে হাড়ে টের পেতাম। অবশেষে দু'মাস অন্তরে দুটো জার্নাল পেপার অ্যাকসেপ্ট হওয়ায় ফলে আবার মানসিক শান্তি ফিরে আসে।
মোরাল অফ দ্য স্টোরি: "অন্যের সাফল্যে খুশি হতে গেলে নিজেকেও সফল হতে হয়।"
কোন কথা থেকে কোন কথায় চলে এলাম। Sarahah প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কি একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলো?
পুনশ্চ: Sarahah-র দৌলতে যে কোনো চিন্তাশীল মন্তব্য আমার ভাগ্যে জোটেনি তা বললে অবশ্য ভুল হবে -- আমার লেখার মান ইদানিং পড়ে গেছে এ কথা দু' তিনজন অন্ততঃ জানিয়েছে। কাজের চাপে আজকাল আর আগের মতন লেখার সময় পাই না -- তবে এই লেখাটা কেমন হয়েছে সেটা যদি তারা আমার ইনবক্সে লিখে জানান তো খুব ভালো হয়। Interactive কমেন্ট পেলে আমার হয়তো উন্নতি সাধনে সুবিধে হবে।
No comments:
Post a Comment