আমার নরেন্দ্রপুরের এক রুমমেট - নিশান - আমাকে নিয়ে একটি ঘটনা লিখেছিল। সেটি সামান্য পরিমার্জিত করে পোস্ট করলাম।
"এবার আমি একটা ঘটনা বলি, নরেন্দ্রপুরে পড়ি, নরনারায়ন সেবার দিন কুণাল, আমি আর জ্যোতি (অনির্বাণ), গেলাম লাইটহাউসে সিনেমা দেখতে। পকেটে তখন হেবি টান, কুল্লে ৪০০ টাকা হাতখরচা পাই। এর মাঝে লাইটহাউসে কুণাল বায়না ধরলো পপকর্ণ কিনতেই হবে। হলের ভেতর এমনিতেই সবকিছুর দাম বেশী। কুট্টি সাইজের একটা পপকর্ণ কেনা হোলো। যার দাম ৫ টাকা। তা কিনেইছে যখন, আমি আর জ্যোতিও দু এক দানা মুখে দিলাম।
সিনেমা শেষ করে ফেরার সময় আমরা বুঝলাম ফিরে খাওয়া যাবে না আর। তাই মহামায়াতলায় নেমে অ্যাণ্টনদার দোকানে যাওয়া হোলো (যেখানে আমরা ১০% ছাড় পেতাম।) যাই হোক, দোকানে বসে হিসেব হচ্ছে চুলচেরা। কুণাল বলে কি "পপকর্ণের দাম তো পাঁচটাকা, তা আমিই যখন চেয়েছিলাম কিনতে, আমিই বেশীটা দিচ্ছি" অ্যাদ্দূর শুনে আমার আর জ্যোতির মুখে হাসি ফুটতে যাচ্ছিলো, তারপরই শুনলাম "আমি নাহয় দু টাকা দিচ্ছি, তোরা দুজন দেড়টাকা করে দিয়ে দিস" শুনে আমাদের হাসি আমরা আবার কপ করে গিলে ফেললাম।"
"এবার আমি একটা ঘটনা বলি, নরেন্দ্রপুরে পড়ি, নরনারায়ন সেবার দিন কুণাল, আমি আর জ্যোতি (অনির্বাণ), গেলাম লাইটহাউসে সিনেমা দেখতে। পকেটে তখন হেবি টান, কুল্লে ৪০০ টাকা হাতখরচা পাই। এর মাঝে লাইটহাউসে কুণাল বায়না ধরলো পপকর্ণ কিনতেই হবে। হলের ভেতর এমনিতেই সবকিছুর দাম বেশী। কুট্টি সাইজের একটা পপকর্ণ কেনা হোলো। যার দাম ৫ টাকা। তা কিনেইছে যখন, আমি আর জ্যোতিও দু এক দানা মুখে দিলাম।
সিনেমা শেষ করে ফেরার সময় আমরা বুঝলাম ফিরে খাওয়া যাবে না আর। তাই মহামায়াতলায় নেমে অ্যাণ্টনদার দোকানে যাওয়া হোলো (যেখানে আমরা ১০% ছাড় পেতাম।) যাই হোক, দোকানে বসে হিসেব হচ্ছে চুলচেরা। কুণাল বলে কি "পপকর্ণের দাম তো পাঁচটাকা, তা আমিই যখন চেয়েছিলাম কিনতে, আমিই বেশীটা দিচ্ছি" অ্যাদ্দূর শুনে আমার আর জ্যোতির মুখে হাসি ফুটতে যাচ্ছিলো, তারপরই শুনলাম "আমি নাহয় দু টাকা দিচ্ছি, তোরা দুজন দেড়টাকা করে দিয়ে দিস" শুনে আমাদের হাসি আমরা আবার কপ করে গিলে ফেললাম।"
No comments:
Post a Comment