লেখক: পর্ব ৫
কিপটে আমি কোনদিনই ছিলাম না, তবে খরচ-খরচার ব্যাপারে খানিকটা সাবধানী বলা যেতে পারে। কোনো কিছুর অপচয় আমি সহ্য করতে পারি না, বিশেষ করে পয়সা আর খাবারের। যারা আমাকে চেনেন তারা সেটা ভালো ভাবেই জানেন। যারা জানেন না, তাদের জন্যে একটা ছোট ঘটনা বলি। মিশনে আমার রুমমেট নিশান আমার চাউমিন খাওয়া দেখে বলেছিল: "তোর তো দেখছি খাবারের ব্যাপারে একাবারে 'বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচাগ্র মেদিনী'।"
পরে পয়সার ব্যাপারেও একইরকম উপলব্ধি হয়েছিল নিশানের। সেরকম একটা ঘটনা নিশানের জবানিতেই দিচ্ছি (সামান্য পরিমার্জিত করে)। এই ঘটনাটা হয়তো আপনারা আগেই পড়েছেন, এখানে লেখাটিকে "লেখক পর্ব"-এর অন্তর্গত করা হলো।
"এবার আমি একটা ঘটনা বলি, নরেন্দ্রপুরে পড়ি, নরনারায়ন সেবার দিন কুণাল, আমি আর জ্যোতি (অনির্বাণ), গেলাম লাইটহাউসে সিনেমা দেখতে। পকেটে তখন হেবি টান, কুল্লে ৪০০ টাকা হাতখরচা পাই। এর মাঝে লাইটহাউসে কুণাল বায়না ধরলো পপকর্ণ কিনতেই হবে। হলের ভেতর এমনিতেই সবকিছুর দাম বেশী। কুট্টি সাইজের একটা পপকর্ণ কেনা হোলো। যার দাম ৫ টাকা। তা কিনেইছে যখন, আমি আর জ্যোতিও দু এক দানা মুখে দিলাম।
সিনেমা শেষ করে ফেরার সময় আমরা বুঝলাম ফিরে খাওয়া যাবে না আর। তাই মহামায়াতলায় নেমে অ্যাণ্টনদার দোকানে যাওয়া হলো (যেখানে আমরা ১০% ছাড় পেতাম।) যাই হোক, দোকানে বসে হিসেব হচ্ছে চুলচেরা। কুণাল বলে কি "পপকর্ণের দাম তো পাঁচটাকা, তা আমিই যখন চেয়েছিলাম কিনতে, আমিই বেশীটা দিচ্ছি" -- অ্যাদ্দূর শুনে আমার আর জ্যোতির মুখে হাসি ফুটতে যাচ্ছিলো, তারপরই শুনলাম -- "আমি নাহয় দু টাকা দিচ্ছি, তোরা দুজন দেড়টাকা করে দিয়ে দিস" শুনে আমাদের হাসি আমরা আবার কপ করে গিলে ফেললাম।"
কিপটে আমি কোনদিনই ছিলাম না, তবে খরচ-খরচার ব্যাপারে খানিকটা সাবধানী বলা যেতে পারে। কোনো কিছুর অপচয় আমি সহ্য করতে পারি না, বিশেষ করে পয়সা আর খাবারের। যারা আমাকে চেনেন তারা সেটা ভালো ভাবেই জানেন। যারা জানেন না, তাদের জন্যে একটা ছোট ঘটনা বলি। মিশনে আমার রুমমেট নিশান আমার চাউমিন খাওয়া দেখে বলেছিল: "তোর তো দেখছি খাবারের ব্যাপারে একাবারে 'বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচাগ্র মেদিনী'।"
পরে পয়সার ব্যাপারেও একইরকম উপলব্ধি হয়েছিল নিশানের। সেরকম একটা ঘটনা নিশানের জবানিতেই দিচ্ছি (সামান্য পরিমার্জিত করে)। এই ঘটনাটা হয়তো আপনারা আগেই পড়েছেন, এখানে লেখাটিকে "লেখক পর্ব"-এর অন্তর্গত করা হলো।
"এবার আমি একটা ঘটনা বলি, নরেন্দ্রপুরে পড়ি, নরনারায়ন সেবার দিন কুণাল, আমি আর জ্যোতি (অনির্বাণ), গেলাম লাইটহাউসে সিনেমা দেখতে। পকেটে তখন হেবি টান, কুল্লে ৪০০ টাকা হাতখরচা পাই। এর মাঝে লাইটহাউসে কুণাল বায়না ধরলো পপকর্ণ কিনতেই হবে। হলের ভেতর এমনিতেই সবকিছুর দাম বেশী। কুট্টি সাইজের একটা পপকর্ণ কেনা হোলো। যার দাম ৫ টাকা। তা কিনেইছে যখন, আমি আর জ্যোতিও দু এক দানা মুখে দিলাম।
সিনেমা শেষ করে ফেরার সময় আমরা বুঝলাম ফিরে খাওয়া যাবে না আর। তাই মহামায়াতলায় নেমে অ্যাণ্টনদার দোকানে যাওয়া হলো (যেখানে আমরা ১০% ছাড় পেতাম।) যাই হোক, দোকানে বসে হিসেব হচ্ছে চুলচেরা। কুণাল বলে কি "পপকর্ণের দাম তো পাঁচটাকা, তা আমিই যখন চেয়েছিলাম কিনতে, আমিই বেশীটা দিচ্ছি" -- অ্যাদ্দূর শুনে আমার আর জ্যোতির মুখে হাসি ফুটতে যাচ্ছিলো, তারপরই শুনলাম -- "আমি নাহয় দু টাকা দিচ্ছি, তোরা দুজন দেড়টাকা করে দিয়ে দিস" শুনে আমাদের হাসি আমরা আবার কপ করে গিলে ফেললাম।"
No comments:
Post a Comment