লেখক: পর্ব ১৮
পোশাক-আষাকের ব্যাপারে আমি সাধারণের চেয়ে বেশ খানিকটা কম সচেতন। এই কথাটা আগে বাড়ির লোকের কাছে অনেকবার শুনে থাকলেও ব্যাপারটাকে আমল দিইনি। তবে সম্প্রতি হোটেলের এক ওয়েটারের মন্তব্যে বুঝলাম সাজসজ্জা সম্পর্কে এতো বেশি উদাসীন না হওয়াই ভালো। সেই ঘটনাটা এখানে খুলে বলি।
বেঙ্গালুরুতে বাড়ির কাছে এক হোটেলে আমি প্রায়শঃই খেতে যেতাম। টি-শার্ট আর থ্রি-কোয়ার্টার্স -- মোটামুটি এটাই ছিল আমার হোটেলে যাওয়ার ড্রেস কোড। আমার এলাকার বিভিন্ন হোটেল পরীক্ষা করার পর স্বাদ এবং স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে একমাত্র এই হোটেলের মিলই আমার পক্ষে দিনের পর দিন খাওয়া সম্ভব। বাকি যাবতীয় হোটেলের হয় খাবারের স্বাদ ভালো নয় নতুবা রান্নায় অত্যধিক তেল মশলা ব্যবহার করে। উপরন্তু এখানের খাবারের দামও তুলনামূলকভাবে সস্তা। এই কারণেই বোধহয় সমাজের সর্বস্তরের খদ্দেরের আগমন ঘটতো সেই হোটেলে।
বহুদিন ধরে যাওয়ার ফলে আমি মুখচেনা হয়ে গেছিলাম হোটেলের সব কর্মচারীর কাছে। আমাকে অর্ডার করার সময় আর আলাদা করে বলতে হতো না যে আমি চাপাটি খাবো না রুটি কিংবা কটা চাপাটি খাবো। সব ওদের মুখস্থ ছিলো। জানতে চাইছেন রুটি আর চাপাটির মধ্যে তফাৎ কি? আমিও জানতাম না এই হেটেলে আসার আগে। চাপাটি হচ্ছে আটার তৈরী মানে যা আমরা সাধারণতঃ খেয়ে থাকি, আর রুটি হচ্ছে বাজরার তৈরী -- চাপাটির চেয়ে বেশি পুষ্টিকর কিন্তু স্বাদে অতো ভালো নয়।
একদিন দেখি হোটেলের এক ওয়েটার ঘুরঘুর করছে আমার চারপাশে আর উসখুস করছে কিছু একটা বলার জন্য। খানিক পরে আর থাকতে না পেরে সে মনের ভেতর চেপে রাখা প্রশ্নটা আমার সামনে করেই ফেললো -- "ভাই, তুমি দিনে কতো টাকা রোজগার করো?"
পোশাক-আষাকের ব্যাপারে আমি সাধারণের চেয়ে বেশ খানিকটা কম সচেতন। এই কথাটা আগে বাড়ির লোকের কাছে অনেকবার শুনে থাকলেও ব্যাপারটাকে আমল দিইনি। তবে সম্প্রতি হোটেলের এক ওয়েটারের মন্তব্যে বুঝলাম সাজসজ্জা সম্পর্কে এতো বেশি উদাসীন না হওয়াই ভালো। সেই ঘটনাটা এখানে খুলে বলি।
বেঙ্গালুরুতে বাড়ির কাছে এক হোটেলে আমি প্রায়শঃই খেতে যেতাম। টি-শার্ট আর থ্রি-কোয়ার্টার্স -- মোটামুটি এটাই ছিল আমার হোটেলে যাওয়ার ড্রেস কোড। আমার এলাকার বিভিন্ন হোটেল পরীক্ষা করার পর স্বাদ এবং স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে একমাত্র এই হোটেলের মিলই আমার পক্ষে দিনের পর দিন খাওয়া সম্ভব। বাকি যাবতীয় হোটেলের হয় খাবারের স্বাদ ভালো নয় নতুবা রান্নায় অত্যধিক তেল মশলা ব্যবহার করে। উপরন্তু এখানের খাবারের দামও তুলনামূলকভাবে সস্তা। এই কারণেই বোধহয় সমাজের সর্বস্তরের খদ্দেরের আগমন ঘটতো সেই হোটেলে।
বহুদিন ধরে যাওয়ার ফলে আমি মুখচেনা হয়ে গেছিলাম হোটেলের সব কর্মচারীর কাছে। আমাকে অর্ডার করার সময় আর আলাদা করে বলতে হতো না যে আমি চাপাটি খাবো না রুটি কিংবা কটা চাপাটি খাবো। সব ওদের মুখস্থ ছিলো। জানতে চাইছেন রুটি আর চাপাটির মধ্যে তফাৎ কি? আমিও জানতাম না এই হেটেলে আসার আগে। চাপাটি হচ্ছে আটার তৈরী মানে যা আমরা সাধারণতঃ খেয়ে থাকি, আর রুটি হচ্ছে বাজরার তৈরী -- চাপাটির চেয়ে বেশি পুষ্টিকর কিন্তু স্বাদে অতো ভালো নয়।
একদিন দেখি হোটেলের এক ওয়েটার ঘুরঘুর করছে আমার চারপাশে আর উসখুস করছে কিছু একটা বলার জন্য। খানিক পরে আর থাকতে না পেরে সে মনের ভেতর চেপে রাখা প্রশ্নটা আমার সামনে করেই ফেললো -- "ভাই, তুমি দিনে কতো টাকা রোজগার করো?"
No comments:
Post a Comment