লেখক: পর্ব ৬
সম্প্রতি আমেরিকা থেকে আমাদের ল্যাবের বড়বাবু বেঙ্গালুরুতে এসেছিলেন। ইনি প্রবাসী ভারতীয় উপরন্তু ছোটবেলাটা কোলকাতায় কাটানোর ফলে বাংলাটাও ভালো বোঝেন। হাসি মস্করা করার অভ্যাসটাও আছে। এই বছর আবার ভারতে আমাদের ল্যাবের পাঁচ বছর পূর্তি হলো। সেই উপলক্ষে এক বিলাসবহুল হোটেলে একটা ছোট ফাংশন এবং খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। ফাংশন বলতে বড় কিছু নয়, ফাংশনের পারফর্মার এবং দর্শক প্রত্যেকেই আমাদের ল্যাবের সদস্য অথবা তাদের পরিবারবর্গ। ইতিমধ্যে অফিসের ক্যান্টিনে মাঝে মাঝে আমার ব্লগের কিছু হাসির গল্প বলে থাকায় লোকজনের ধারণা হয়েছিল আমি বোধহয় একজন ভালো কমেডিয়ান তাই সবাই মিলে অনুরোধ করলো ফাংশনে কিছু জোকস বলার জন্য। আমি তো জীবনে কখনো মঞ্চে উঠে স্ট্যান্ড আপ কমেডি জাতীয় কিছু করিনি তবুও উপরোধে ঢেঁকি গিলতে হলো। ব্লগের কিছু টুকরো টুকরো গল্প জোড়াতালি দিয়ে ম্যানেজ করতে প্রস্তুত হলাম। তারই সামান্য নিদর্শন নিচে দেওয়া হলো।
আইআইটি খড়্গপুরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক গত ছ'বছরের হলেও খড়্গপুরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক কিন্তু প্রায় জন্ম থেকেই। যতবার মামাবাড়ি বাঁকুড়ায় যেতাম ততবার এই খড়্গপুরের উপর দিয়েই যেতে হতো। ছোটবেলায় এই স্টেশনটার নাম কেন "খড়্গপুর জং" সেই নিয়ে ভীষণ কৌতুহল ছিল -- "জং" মানে তো হিন্দীতে "যুদ্ধ", এমন অদ্ভুত নাম স্টেশনটার কে দিল? পরে জানতে পেরেছি "জং" হচ্ছে "জংশন"-এর ক্ষুদ্র রূপ। তারও পরে আইআইটি খড়্গপুরে ঢুকে উপলব্ধি করেছি যিনি এই স্টেশনটির নামকরণ করেছেন তিনি সত্যিই বিচক্ষণ ব্যক্তি। একজন ছাত্রকে আইআইটি খড়্গপুরে ঢুকে প্রথমেই যে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয় তা হচ্ছে হোস্টেলের খাবার খেয়ে বেঁচে থাকার লড়াই। এখানকার খাবারের কোয়ালিটি অসাধারণ ভাবে বর্ণনা করেছে ফেসবুকের একটা পোস্ট। এই পোস্টটিতে উপরে একটি ছবি আছে, নিচে আরেকটি। উপরের ছবিতে দেখা যাচ্ছে 300 (থ্রি হান্ড্রেড) সিনেমার নায়ক লিওনাইডাস চিৎকার করে বলছেন: "Tonight we dine in hell !" এই শুনে নিচের ছবিতে এক আইআইটি খড়্গপুরের ছাত্রের মন্তব্য: "ও আচ্ছা, আজ রাতে আমাদের হোস্টেলে খেতে আসছেন বুঝি?"
বলাই বাহুল্য, আমার জোকগুলি শুনে দু-একজন দর্শক সৌজন্যতামূলক হাসি উপহার দিয়েছেন মাত্র। তবে এই প্রসঙ্গে একটা তথ্য জানিয়ে রাখি যেটা আমি অনুষ্ঠান শেষে এক দর্শকের কাছ থেকে জানতে পারি: কোনো এক আইআইটি খড়্গপুরের প্রাক্তনী তিহার জেল থেকে ঘুরে এসে জানায় যে তিহার জেলের খাবারও আমাদের হোস্টেলের চেয়ে ভাল। (এই প্রাক্তনীটির পরিচয় সেই দর্শক আমাকে না জানালেও সেটা যে অরবিন্দ কেজরিওয়াল নন এটুকু তিনি জানিয়েছেন।)
সম্প্রতি আমেরিকা থেকে আমাদের ল্যাবের বড়বাবু বেঙ্গালুরুতে এসেছিলেন। ইনি প্রবাসী ভারতীয় উপরন্তু ছোটবেলাটা কোলকাতায় কাটানোর ফলে বাংলাটাও ভালো বোঝেন। হাসি মস্করা করার অভ্যাসটাও আছে। এই বছর আবার ভারতে আমাদের ল্যাবের পাঁচ বছর পূর্তি হলো। সেই উপলক্ষে এক বিলাসবহুল হোটেলে একটা ছোট ফাংশন এবং খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। ফাংশন বলতে বড় কিছু নয়, ফাংশনের পারফর্মার এবং দর্শক প্রত্যেকেই আমাদের ল্যাবের সদস্য অথবা তাদের পরিবারবর্গ। ইতিমধ্যে অফিসের ক্যান্টিনে মাঝে মাঝে আমার ব্লগের কিছু হাসির গল্প বলে থাকায় লোকজনের ধারণা হয়েছিল আমি বোধহয় একজন ভালো কমেডিয়ান তাই সবাই মিলে অনুরোধ করলো ফাংশনে কিছু জোকস বলার জন্য। আমি তো জীবনে কখনো মঞ্চে উঠে স্ট্যান্ড আপ কমেডি জাতীয় কিছু করিনি তবুও উপরোধে ঢেঁকি গিলতে হলো। ব্লগের কিছু টুকরো টুকরো গল্প জোড়াতালি দিয়ে ম্যানেজ করতে প্রস্তুত হলাম। তারই সামান্য নিদর্শন নিচে দেওয়া হলো।
আইআইটি খড়্গপুরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক গত ছ'বছরের হলেও খড়্গপুরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক কিন্তু প্রায় জন্ম থেকেই। যতবার মামাবাড়ি বাঁকুড়ায় যেতাম ততবার এই খড়্গপুরের উপর দিয়েই যেতে হতো। ছোটবেলায় এই স্টেশনটার নাম কেন "খড়্গপুর জং" সেই নিয়ে ভীষণ কৌতুহল ছিল -- "জং" মানে তো হিন্দীতে "যুদ্ধ", এমন অদ্ভুত নাম স্টেশনটার কে দিল? পরে জানতে পেরেছি "জং" হচ্ছে "জংশন"-এর ক্ষুদ্র রূপ। তারও পরে আইআইটি খড়্গপুরে ঢুকে উপলব্ধি করেছি যিনি এই স্টেশনটির নামকরণ করেছেন তিনি সত্যিই বিচক্ষণ ব্যক্তি। একজন ছাত্রকে আইআইটি খড়্গপুরে ঢুকে প্রথমেই যে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয় তা হচ্ছে হোস্টেলের খাবার খেয়ে বেঁচে থাকার লড়াই। এখানকার খাবারের কোয়ালিটি অসাধারণ ভাবে বর্ণনা করেছে ফেসবুকের একটা পোস্ট। এই পোস্টটিতে উপরে একটি ছবি আছে, নিচে আরেকটি। উপরের ছবিতে দেখা যাচ্ছে 300 (থ্রি হান্ড্রেড) সিনেমার নায়ক লিওনাইডাস চিৎকার করে বলছেন: "Tonight we dine in hell !" এই শুনে নিচের ছবিতে এক আইআইটি খড়্গপুরের ছাত্রের মন্তব্য: "ও আচ্ছা, আজ রাতে আমাদের হোস্টেলে খেতে আসছেন বুঝি?"
বলাই বাহুল্য, আমার জোকগুলি শুনে দু-একজন দর্শক সৌজন্যতামূলক হাসি উপহার দিয়েছেন মাত্র। তবে এই প্রসঙ্গে একটা তথ্য জানিয়ে রাখি যেটা আমি অনুষ্ঠান শেষে এক দর্শকের কাছ থেকে জানতে পারি: কোনো এক আইআইটি খড়্গপুরের প্রাক্তনী তিহার জেল থেকে ঘুরে এসে জানায় যে তিহার জেলের খাবারও আমাদের হোস্টেলের চেয়ে ভাল। (এই প্রাক্তনীটির পরিচয় সেই দর্শক আমাকে না জানালেও সেটা যে অরবিন্দ কেজরিওয়াল নন এটুকু তিনি জানিয়েছেন।)
No comments:
Post a Comment