আজ থেকে প্রায় চৌত্রিশ পঁয়ত্রিশ বছর কি আরও আগেকার ঘটনা, বাবা সবে চাকরিতে ঢুকেছে। একদিন রাস্তায় এক পুরনো বন্ধুর সাথে দেখা হয়ে যায়।
বন্ধু: "কি রে, তুই তো গত মাসে চাকরিতে ঢুকেছিস শুনলাম। তা, প্রথম মাসের মাইনে পেয়ে কি কিনলি?"
বাবা: "তেমন কিছু না, নিজের জন্যে অ্যাম্বাসেডর কিনেছি।"
বন্ধুর চক্ষু চড়কগাছ: "বলিস কি ! একেবারে অ্যাম্বাসেডর কিনে ফেললি?"
বাবা: "হ্যাঁ, অ্যাম্বাসেডর জোড়া বেশ ভালো।"
বন্ধু (সন্দিগ্ধ ভাবে): "অ্যাম্বাসেডর জোড়া?"
বাবা: "হ্যাঁ, বাটা একটা নতুন ব্র্যান্ড বার করেছে না ! জুতো জোড়া বেশ আরামের।"
বন্ধু (স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে): "ও, তাই বল !"
___________
আজ থেকে প্রায় দু' তিন বছর আগেকার কথা। আমি হন্তদন্ত হয়ে হোস্টেলের রুমে ঢুকছি।
পাশের রুমের বন্ধু: "কি রে, এত তাড়াহুড়ো করে কোথা থেকে ফেরা হচ্ছে?"
আমি: "হংকং থেকে।"
বন্ধুর চক্ষু চড়কগাছ: "উরিব্বাস, হংকং ! কিসে করে ফিরলি?"
আমি: "সাইকেল চালিয়ে।"
বন্ধু (সন্দিগ্ধ ভাবে): "সাইকেল চালিয়ে -- মানে?"
আমি: "আইআইটির প্রেমবাজার গেট দিয়ে বেরিয়ে তিন চার কিলোমিটার গেলে একটা "হংকং" নাম রেস্টুরেন্ট আছে না ! সেটায় গেছিলাম।"
বন্ধু (স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে): "ও, তাই বল।"
(প্রজন্ম বদলেছে মানসিকতা বদলায়নি।)
বন্ধু: "কি রে, তুই তো গত মাসে চাকরিতে ঢুকেছিস শুনলাম। তা, প্রথম মাসের মাইনে পেয়ে কি কিনলি?"
বাবা: "তেমন কিছু না, নিজের জন্যে অ্যাম্বাসেডর কিনেছি।"
বন্ধুর চক্ষু চড়কগাছ: "বলিস কি ! একেবারে অ্যাম্বাসেডর কিনে ফেললি?"
বাবা: "হ্যাঁ, অ্যাম্বাসেডর জোড়া বেশ ভালো।"
বন্ধু (সন্দিগ্ধ ভাবে): "অ্যাম্বাসেডর জোড়া?"
বাবা: "হ্যাঁ, বাটা একটা নতুন ব্র্যান্ড বার করেছে না ! জুতো জোড়া বেশ আরামের।"
বন্ধু (স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে): "ও, তাই বল !"
___________
আজ থেকে প্রায় দু' তিন বছর আগেকার কথা। আমি হন্তদন্ত হয়ে হোস্টেলের রুমে ঢুকছি।
পাশের রুমের বন্ধু: "কি রে, এত তাড়াহুড়ো করে কোথা থেকে ফেরা হচ্ছে?"
আমি: "হংকং থেকে।"
বন্ধুর চক্ষু চড়কগাছ: "উরিব্বাস, হংকং ! কিসে করে ফিরলি?"
আমি: "সাইকেল চালিয়ে।"
বন্ধু (সন্দিগ্ধ ভাবে): "সাইকেল চালিয়ে -- মানে?"
আমি: "আইআইটির প্রেমবাজার গেট দিয়ে বেরিয়ে তিন চার কিলোমিটার গেলে একটা "হংকং" নাম রেস্টুরেন্ট আছে না ! সেটায় গেছিলাম।"
বন্ধু (স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে): "ও, তাই বল।"
(প্রজন্ম বদলেছে মানসিকতা বদলায়নি।)
No comments:
Post a Comment